ইউটিউব থেকে টাকা আয় করার সম্পূর্ণ গাইডলাইন

Table of Contents

ইউটিউব কি?

ইউটিউব হল একটি ভিডিও শেয়ারিং সাইট, যার মাধ্যমে যেকোন ইউজার নিজের ভিডিও আপলোড করতে পারে একইসাথে অন্যদের আপলোড করা ভিডিওগুলোও দেখতে পারে।

১ টি পোস্ট লিখলে ৫-৩০ টাকা | পেমেন্ট মোবাইল রিচার্জ, বিকাশ, রকেট ও নগদে

এই সাইটটি ২০০৫ সালে প্রথম মুক্ত ওয়েবসাইট হিসেবে যাত্রা করে।

ইউটিউবের শ্লোগান হল “broadcast yourself”..এটি বলতে বুঝিয়েছে যে, ইউটিউব সার্ভিস ডিজাইন করা হয়েছে,সাধারণ মানুষদের জন্য যারা নিজেদের তৈরি ভিডিওগুলো প্রকাশে আগ্রহী।

অনেক কোম্পানী এবং প্রতিষ্ঠান তাদের প্রচার প্রচারণা ও ব্যবসার কাজে ইউটিউব ব্যবহার করে, যদিও ইউটিউবের ব্যবহারকারীদের মাধ্যে অপেশাদারদের সংখ্যাই বেশী। ইউটিউবের সুবিধা হল এতে আপলোড করার সাথে সাথে এসব ভিডিও অন্য ওয়েবসাইটেও আপলোড করা যায়, তবে হোস্ট করা হয় ইউটিউবের সার্ভার ব্যবহার করে।

ইউটিউবে পুরো বিশ্ব থেকে ভিডিও আপলোড করা হয়।

এজন্য প্রায় সবধরণের যেমনঃ হোমমেড ভিডিও, পেশাদার-অপেশাদার, মজার ভিডিও এতে পাওয়া যায়।

বর্তমান বিশ্বে ইউটিউব এর কারণে আজ যেকোন মানুষ কোন সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া ঘটনার সচিত্র বর্ননা যেমন পাচ্ছে, তেমনি বিভিন্ন বিষয়ে সহায়ক শিক্ষণীয় টিউটোরিয়াল কিংবা ঐতিহাসিক বিষয়েও বর্ননার মাধ্যমে জানতে পারছে।

সর্বোপরি ইউটিউব অনেকটা সংবাদপত্র, টিভি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা একইসাথে পালন করছে।

 প্রাথমিক ধাপঃ ইউটিউব থেকে আয়

১. প্রথমেই আপনার একটি Gmail Account লাগবে। আপনার সঠিক ইনফর্মেশন দিয়ে একটি Gmail Account তৈরি করে নিন।

২. ইউটিউব.কম গেলে আপনার জিমেইল এর নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি হয়ে যাবে। এখন প্রথম কাজ শেষ। এখন পরের কাজ-

Advance:

1. Click On Your Avatar>Creator Studio>Channel>Advanced এ যান।

আপনার Country বাংলাদেশ থেকে ইউনাইটেড স্টেট্‌স এ পরিবর্তন করুন।

2. Channel>Status and Features এ আপনার চ্যানেল ভেরিফাই করুন।

3. Enable Monetization. স্টেপসগুলো অবলম্বন করে Enable করে নিন।

4. ১৫ মিনিটের দীর্ঘ ভিডিও আপলোড করার জন্য Longer Videos Enable করে নিতে পারেন।

5. Channel>Monetization>How will be i get paid এ ক্লিক করুন।

স্টেপসগুলো অবলম্বন করুন এবং আপনার সঠিক বেক্তিগত ইনফর্মেশন দিয়ে অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিন।

এখন আপনার নিজের ভিডিও বানান এবং তা মনেটাইজ করে ইউটিউব থেকে ইনকাম করুন।

বাংলাদেশ থেকে কি আয় করা সম্ভব

এ বিষয়টি নিয়ে লেখার আগে আমি অনেক বাংলা সাইট Research করে দেখেছি।

বিভিন্ন জন তাদের সাইটে বিভিন্ন চাতুরীর কথা লিখেছেন যে, কিভাবে বাংলাদেশ হতে YouTube এর মাধ্যমে টাকা উপার্জন করতে হয়। আসলে YouTube এর মাধ্যমে এখনো বাংলাদেশ থেকে টাকা উপার্জন করা সম্ভব। বাংলাদেশে এখনো YouTube Monetization সাপোর্ট দিচ্ছে। সে জন্য যে যতই চাতুরীর কথা বলুক না কেন সাধারণ যে কোন Channel দিয়ে ইউটিউব থেকে টাকা উপার্জন করা অাদৌ সম্ভব । তবে আপনি যদি আপনার YouTube Channel টিকে ভালমানের একটি Channel হিসেবে YouTube এর কাছে প্রমান করতে পারেন তাহলে YouTube আপনাকে তাদের নিজে থেকে Monitization এর জন্য অফার করবে। আপনি বাংলাদেশ থেকে YouTube এর মাধ্যমে অনলাইন হতে টাকা উপার্জন করতে পারবেন।

 

কি করে টাকা উপার্জন করবেন?

বর্তমানে অনেকেই জানে যে ইউটিউব থেকে টাকা উপার্জন করা যায় কিন্তু সকলে সেই পদ্ধতি সম্পর্কে অবগত নয়। কি করে নিজের একটি অ্যাকাউন্ট বানাবে বা কি করে টাকা আয় করবে বা সেই টাকা কি করে নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আসবে সেটা নিয়ে অনেকের মনেই অনেক প্রশ্ন। আমি এখানে কিছু সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করছি।

বিগত প্রায় এক দেড় বছর ধরে আমি নিয়মিত ইউটিউব থেকে টাকা উপার্জন করছি।

তার পরিমাণ আমি উল্লেখ করব না কারণ ইউটিউবের সাথে যখন আমরা অ্যাগ্রিমেন্ট করি তখন সেখানে একটা পয়েন্টে আমাদের সাইন করতে হয় যে আমরা আমাদের আয়ের পরিমাণ কোনো পাবলিক ফোরামে উল্লেখ করব না। তবে একটা ধারণা দিতে পারি যে মোটামুটি ভাবে একটা মাঝারি চাকরীজীবির স্যালারি-র সমান।

আপনি গুগলে সার্চ করে ইউটিউবের আয়ের পরিমাণ সম্পর্কে আরো তথ্য পেতে পারেন।

প্রথম প্রশ্ন : কি করে ইউটিউবে অ্যাকাউন্ট খুলব?

উত্তর : খুব সহজ, একটা জিমেইল অ্যাকাউন্ট তৈরী করুন। নিজের সঠিক নাম, বয়স এবং ফোন নম্বর দিয়ে।

এই অ্যাকাউন্ট দিয়ে ইউটিউবে লগ ইন করুন।

সেখানে ‘Create Channel’ পাবেন।

তার মাধ্যমে নিজের চ্যানেল তৈরী করুন।

একটা ভালো প্রোফাইল পিকচার এবং কভার ফটো অ্যাড করুন।

এবং আপনার নিজের ক্যামেরায় তৈরী যে কোনো ফুটেজ আপলোড করুন। ব্যস, আপনার ৫০ শতাংশ কাজ রেডি।

দ্বিতীয় প্রশ্ন : আমি ভিডিও আপলোড করেছি কিন্তু টাকা আসছে না।

উত্তর : টাকা উপার্জন করতে হলে আপনাকে আপনার ভিডিওটি ‘Monetized’ করতে হবে।

ইউটিউবের Video Manager-এ ক্লিক করুন, বা-দিকে একটা লিস্ট আসবে সেখানে Channel-e ক্লিক করুন, সেখানে আপনি Monetization পাবেন।

এখান থেকে আপনাকে আপনার অ্যাকাউন্টটি অ্যাকটিভ করতে হবে। (অ্যাকটিভ করার উপায়টি লিখে সঠিক বোঝানো সম্ভব নয়, নিজে থেকে চেষ্টা করুন এবং স্টেপগুলি ফলো করুন)।

তৃতীয় প্রশ্ন : আমি কি যেকোনো ভিডিও আপলোড করতে পারি?

উত্তর : আপনি আপলোড করতে পারবেন সব ভিডিও কিন্তু সব ভিডিও থেকে পয়সা উপার্জন করতে পারবেন না।

আপনি অন্য কোনো সিনেমা বা টিভির থেকে নেওয়া ভিডিও বা অডিও , এমনকি আপনার ভিডিওর মধ্যেও যদি অন্য কারো ভিডিও বা অডিও থাকে তাহলে সেটাও মনেটাইজ হবে না, ইচ্ছে করলে ইউটিউব আপনাকে সঙ্গে সঙ্গে ব্লক করে দিতে পারে এবং আর আপনি কখনই আপনার নিজের নামে ভবিষ্যতে অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন না।

চতুর্থ প্রশ্ন : পাড়ার ফাংশানে একজন গায়ক গান গেয়েছে আমি তার ভিডিও নিয়েছি, সেটা কি আমি আপলোড করতে পারি?

উত্তর : এক্ষেত্রে ভিডিওটি আপনার নিজের কিন্তু যেহেতু অডিওটি অন্য কারো তাই আপনি সেটি থেকে উপার্জন করতে পারবেন না।

জেনে রাখুন, অন্য কারো গান আপনি নিজে গেয়েছেন সেটাও কিন্তু ইউটিউব গ্রহণ করবে না।

পঞ্চম প্রশ্ন : কি ধরণের ভিডিও থেকে অর্থ উপার্জন সম্ভব?

উত্তর : এর কোনো সঠিক উত্তর নেই। রিসার্চ বলছে ইউটিউবে সব থেকে বেশী দেখা হয় সেক্স ভিডিও কিন্তু সেটা খুব রিস্কি। ইউটিউবের নজরে এলে বা কেউ যদি আপনার ভিডিও রিপোর্ট করে দেয় তাহলে আপনার চ্যানেল ব্লক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। যদিও ইউটিউবে প্রচুর সেক্স ভিডিও দেখা যায় এবং সেগুলো বহাল তবিয়তে চলে। এক্ষেত্রে কিছু কোম্পানী-র ক্ষেত্রে ইউটিউব মাঝে মাঝে দেখেও না দেখার ভান করে। আপনার ভিডিওর সাথে ইউটিউব কি করবে সেটা একমাত্র ইউটিউবই বলতে পারবে।

বেশী অর্থের লোভে অতিরিক্ত সেক্স ভিডিও আপলোড না করাই ভালো।।

ষষ্ঠ প্রশ্ন : কত টাকা উপার্জন সম্ভব?

উত্তর : এরও কোনো সঠিক উত্তর নেই। ইউটিউব থেকে টাকা আয়ের মূল উৎস হচ্ছে ভিউ। যে ভিডিও যত বেশী ভিউ হবে সে ভিডিও তত বেশী অর্থ উপার্জন করবে।

তবে মোটামুটি ভাবে প্রতি হাজার মনেটাইজ ভিউতে ১ থেকে ৫ ডলার অবধি আয় সম্ভব।

সপ্তম প্রশ্ন : মনেটাইজ ভিউ কি ?

উত্তর : ধরা যাক আপনার ভিডিওটে যে অ্যাড আসে, সেটা ১ মিনিট-এর মাথায়। এবার আপনার ভিডিওটি ৫০০০ ভিউ হয়েছে কিন্তু এর মধ্যে প্রায় ৩ হাজার জন হয়ত আপনার ভিডিও ১ মিনিটের কম দেখেছে। তাহলে ৫ হাজার ভিউ স্বত্তেও আপনার মনেটাইজ ভিউ হবে মাত্র ২ হাজার।

মনেটাইজ ভিউ কত হয়েছে সেটা একমাত্র যার অ্যাকাউন্ট সেই দেখতে পারবে ‘Analytics’-এ ক্লিক করে।

অষ্টম প্রশ্ন : কবে থেকে টাকা আয় সম্ভব?

উত্তর : আপনার অ্যাডসেন্স অ্যাপ্লিকেশান অ্যাপ্রুভড হতে দুই থেকে তিন দিন লাগে। একবার অ্যাপ্রুভড হয়ে গেলেই আপনার আয় শুরু।

নবম প্রশ্ন : টাকা কবে থেকে পাব?

উত্তর : আপনার ইনকাম লেভেল যতদিন না ১০০ ডলার হচ্ছে ততদিন আপনি টাকা পাবেন না। ১০০ ডলার হলে আপনার বাড়িতে গুগল থেকে একটি চিঠি আসবে তাতে একটি কোড নম্বর থাকবে সেই কোড নম্বর দিয়ে আপনাকে আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস দিতে হবে।

অর্থাৎ ব্যাঙ্ক নেম, অ্যাকাউন্ট হোল্ডার নেম, সুইফট কোড ইত্যাদি। আপনার ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট-এ আপনার নাম এবং ঠিকানা আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্টের নামের সাথে মিল থাকতে হবে, নইলে এই টাকা আপনি পাবেন না।

তাই অ্যাকাউন্ট খোলার সময় যেই নামে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আছে এবং সেখানে যে অ্যাড্রেস দেওয়া আছে সেটাই ব্যবহার করবেন।

দশম প্রশ্ন : কত তাড়াতাড়ি টাকা আসবে?

উত্তর : ইউটিউব মূলত একটা মাধ্যম যেখানে মানুষ নিজেদের ভিডিও শেয়ার করে।

এই সাইটের প্রাথমিক লক্ষ টাকা উপার্জন নয়। তাই টাকা উপার্জন করব ভেবে যদি আপনি ইউটিউব চ্যানেল খোলেন তাহলে আপনি নিরাশ হবেন। ইউটিউব থেকে টাকা পেতে আপনাকে ধৈর্য্য ধরতে হবে। হতে পারে আপনার প্রথম টাকা পেতে পেতে এক বছর বা তার-ও বেশি লেগে গেল কিন্তু একবার টাকা আসা শুরু করলে এবং আপনার ভিডিও প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ হাজার ভিউ দিতে পারলে বিশ্বাস করুন আপনাকে আর কোনো চাকরী করতে হবে না।

শেষ প্রশ্ন : সকলেই কি টাকা আয় করতে পারে?

উত্তর : আঠারো বছরের যে কেউ তার নিজের মৌলিক ভিডিও দিয়ে টাকা উপার্জন করতে পারে।

কিন্তু কার ভিডিও কত জনপ্রিয় হবে সেটা নির্ভর করছে কিছুটা আপনার দক্ষতা এবং আপনার ভাগ্যের উপর।

প্রচুর মানুষ যারা নিজের পোষা বিড়ালের ছবি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা আয় করছে আবার অনেকে আছে যারা পয়সা খরচ করে নিজেরা নানা রকম ভিডিও বানিয়েও এক ডলার আয় করতে পারছে না। তাই সঠিক ভাবে যদি আপনি আপনার ইউটিউব অ্যাকাউন্টটি পরিচালনা করতে পারেন তাহলে ইউটিউব থেকে টাকা আয় করা অসম্ভব নয়।

 

আয় করার আর কিছু তত্ত্ব

 

YouTube Channel তৈরীঃ 

প্রথমেই আপনাকে Gmail ID এর মাধ্যমে একটি YouTube Channel তৈরী করে নিতে হবে।

YouTube.Com এ গিয়ে Gmail ID এর মাধ্যমে Signup করলেই আপনার YouTube Channel তৈরী হয়ে যাবে।

YouTube Partner হওয়াঃ 

তারপর বামপাশের অপশন হতে My Channel এ ক্লিক করলে আপনার YouTube Channel টি দেখতে পাবেন।

আপনার Channel টির নামের উপরে Video Manager নামে আরেকটি অপশন দেখতে পাবেন সেটিতে ক্লিক করুন।

এখন বামপাশের Channel অপশনে ক্লিক করার পর ডানে অনেক অপশন দেখতে পাবেন।

সেখানে আপনার নামের পাশে থাকা Partner হতে মোবাইল নাম্বার দিয়ে Partner Verified করতে হবে। Partner Verified না করলে আপনার ভিডিও গুলিকে Monetized করতে পারবেন না।

ভিডিও আপলোড করাঃ 

এখন আপনার ভিডিওটি আপলোড করুন।

আপলোড হওয়ার পর ভিডিওটির নিচের দিকে Monetized অপশন দেখতে পাবেন।

এখানে Monetize with ads অপশনে ঠিক চিহ্ন দিয়ে দিলেই আপনার ভিডিওটিতে এখন থেকে Google বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দেখাবে।

তবে সাবধান কোন প্রকার কপি করা ভিডিও আপলোড করবেন না। তাহলে ইউটিউব যে কোন সময় আপনার Monetized অপশন Disable করে দেবে।

AdSense এ Apply করাঃ 

এখন আপনাকে আপনার YouTube Channel এর মাধ্যমে Google AdSense এর জন্য আবেদন করতে হবে।

এই AdSense এর মাধ্যমে আপনি টাকা উত্তোলন করবেন।

এখন আবার বামপাশের Channel অপশন হতে Monetization অপশনে ক্লিক করে ডানপাশে Enable Monetization বাটন হতে Monetization একটিভ করে নিতে হবে।

তারপর নিচের দিকে How Will Paid নামে আরেকটি অপশন পাবেন।

সেখানে associate an AdSense account এ ক্লিক করে Next ক্লিক করে আপনার Gmail ID এর মাধ্যমে লগইন করে যাবতীয় তথ্য দিলেই আপনার AdSense Request চলে যাবে।

এখন ২-৩ দিনের মধ্যে আপনার AdSense Approve এর মেইল আপনার ইনবক্সে চলে আসবে।

 

গুগল অ্যাডসেন্সে আবেদনের

ক) যদি ভিডিওতে গুগল আডসেন্সের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার করতে চাই তাহলে প্রথমে গুগলএ অ্যাকাউন্ট করতে হবে। এ অ্যাকাউন্ট করতে সম্পূর্ণ ফ্রী।

খ) অ্যাকাউন্ট করার পর আডসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে। এ আবেদনের জন্য ইউটিউব পার্টনার হতে হবে। ইউটিউব থেকে পার্টনারশিপের যে মেইলটি পাঠান হয়, আবেদন করার সময় সে লিঙ্কটা অ্যাড করে দিতে হয়।

গ) ইউটিউব অ্যাকাউন্ট লিঙ্ক দিয়ে আডসেন্স অ্যাকাউন্ট সাবমিট করা হয়।

ভিডিও আপলোড করার সময় একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে , ভিডিওতে প্রচারিত বিজ্ঞাপনে ক্লিক করলে যেন তা আলাদা উইন্ডো তে ওপেন হয়, তা না হলে সেটা ক্লায়েন্টের বিরক্তি ঘটায়।

আডসেন্সের জন্য আবেদন করার আগে জিমেইল , নাম ও এড্রেস ইত্যাদি ঠিক আছে কি না দেখে নিতে হবে। আডসেন্স অনুমোদন হয়ে গেলে যখন আডসেন্স অ্যাকাউন্ট এ যখন ১০০ ডলারের বেশী হবে তখন গুগল তা পে করে। আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে অ্যাডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়ার জন্য ইউটিউব হচ্ছে অন্যতম সহজ একটি পদ্ধতি।

সেরা আর্নাররা শুধুমাত্র ইউটিউব অ্যাডসেন্স ব্যবহার করে মাসে কয়েক লক্ষ ডলার পর্যন্ত আয় করে থাকে।

 

কিভাবে আয় বাড়াবেন?

 

ভিডিওটির বর্ণনা দেয়াঃ

নতুন ভিডিও আপলোড করার পর সাথে সাথে ভিডিওটি সম্পর্কে তার নিচে বর্ণনা দিয়ে দেবেন। তাহলে YouTube সহজে আপনার ভিডিওটি সম্পর্কে ধারনা পেয়ে যাবে।

এতেকরে YouTube নির্ধারিত টপিক অনুযায়ী ভিজিটদের কাছে ভিডিওটি পৌছে দেবে।

নিয়মিত ভিডিও তৈরীঃ

#নিয়মিত নিত্য নতুন ভালমানের ভিডিও আপলোড করার চেষ্টা করবেন। তাহলে আপনার Channel টির Viewer বাড়তে থাকবে।

আর Viewer বাড়া মানেই হচ্ছে আপনার আয় বেড়ে যাওয়া।

ভিডিও শেয়ার করাঃ

# ভিডিও পাবলিশ করার পর বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম, যেমন-ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস ইত্যাদি সাইটগুলিতে আপনার ভিডিও শেয়ার করতে পারেন।

ব্যাক লিংক তৈরীঃ

 আপনি যে বিষয় নিয়ে ভিডিও টিউটোরিয়াল বা ভিডিও তৈরী করছেন এরকম অন্য জনপ্রিয় সাইটগুলিতে আপনার ভিডিওটির লিংক দিয়ে দিতে পারেন। এতে করে সেখান থেকেও আপনার সাইটে প্রচুর ভিজিটর পেয়ে যাবেন।

শেষ কথাঃ যেহেতু YouTube হচ্ছে Google কোম্পানির একটি অংশ, সুতরাং আপনি চাইলে এখান থেকে আপনার পরিশ্রম কাজে লাগিয়ে বিশ্বস্ততার সাথে টাকা উপার্জন করতে পারেন। এর সব চাইতে বড় সুবিধা হচ্ছে আপনাকে কোন প্রকার Domain ও Hosting কোনটাই কিনতে হচ্ছে না। তাছাড়া YouTube এর মাধ্যমে খুব সহজেই Google AdSense অনুমোদন পাওয়া যায়।

কাজেই আমার মনেহয় এটিই হচ্ছে অনলাইন থেকে টাকা আয় করার সবচেয়ে সহজ, ফ্রি এবং বিশ্বস্ত একটি উপায়।

 

Youtube SEO করবেন কীভাবে

ইউটিউব এসইও ( Youtube SEO) করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হচ্ছে সঠিকভাবে কি-ওয়ার্ড এর ব্যবহার করতে জানা।

আপনি যদি আপনার ভিডিওগুলোর মাঝে সঠিক ভাবে কি-ওয়ার্ড ব্যবহার না করতে পারেন তবে ,

আপনার চাহিদা মত কখনই র‍্যাঙ্কিং এর মাঝে আপনার চ্যানেলটিকে প্রবেশ করাতে পারবেন না ।

২. আকর্ষণীয়ভাবে আপনার ভিডিও পরিবেশন করার চেষ্টা করুন

সবসময় মনে রাখবেন আপনার ভিডিওটি যারা দেখবে তাঁদের রুচি অনুযায়ী কিন্তু আপনাকে ভিডিও বানাতে হবে।

এমন কিছু ভিডিও বানাবেন না যা শুধু মাত্র গুটি কয়েক মানুশের ভালোলাগায় পরিণত হয় ।

সঠিক ভাবে আপনার চিন্তা চেতনাকে কাজে লাগিয়ে ভালো তথ্য নির্ভর এবং অবশ্যই সৃজনশীল উপায়ে আপনার ভিডিও তৈরি করুন
ভালো মানের প্রফেশনাল ভিডিওগ্রাফার ব্যবহার করুন আপনার ভিডিও প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে এবং অবশ্যই দক্ষ কাওকে দিয়ে সেগুলোকে এডিট করিয়ে নিবেন ।

কখনই বাজেট নিয়ে ভাববেন না । সামান্য বুদ্ধি খাটিয়ে কাজ করলে আপনিও স্বল্প খরচে সবচাইতে ভালো মানের এবং সৃজনশীল কিছু প্রকাশ করতে পারবেন ।

ভিডিও প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অবশ্যই মনে রাখবেন যেগুলো আপনার সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (Search Engine Optimization) এর ক্ষেত্রে আবশ্যক । যেমন ,

ভিডিও তে ব্যবহার করা কি-ওয়ার্ড গুলো যেন অবশ্যই ভিডিওটি প্লে হবার সবার ১০ সেকেন্ডের মাঝে উচ্চারিত হয় । অর্থাৎ ভিডিও যখন বানাবেন তখন ১০ সেকেন্ডের ভেতর সবগুলো কিওয়ার্ড উচ্চারণ করার চেষ্টা করবেন

কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করে ভিডিও এর নাম সেভ করবেন ।

এসকল কাজ তো গেলো আপনার ভিডিও বানানোর ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কিছু বিষয়। এছাড়াও আপনি যখন ভিডিও আপলোড করবেন তখনও আপনাকে অনেক ধরনের কাজ করতে হবে অত্যান্ত গুরুত্ব সহকারে । যেমন ,

এমন টাইটেল দিতে চেষ্টা করবেন যা মানুষের নজর কাড়তে সক্ষম হয়। টাইটেলের মাঝে যেন আপনার কিওয়ার্ড গুলো ব্যবহার করা হয় সেদিকেও লক্ষ্য রাখবেন।

 

ভিডিও আপলোড এর পর করনীয়

একটি ভিডিও সার্চ-ইঞ্জিনের মাঝে অপটিমাইজেশন মানে এই নয় যে আপনি ভিডিও বানালেন আর শুধু সেগুলোকে আপলোড করে বসে থাকলেন ।
আপনার ভিডিও সঠিক ভাবে অপটিমাইজ করতে হলে আপলোডের পরেও অনেক কাজ আপনাকে করতে হবে যেমন ধরুন,

ভিডিওর মাঝে টিকা (Annotation) ব্যবহার করা ।
অ্যানোটেশন বা টিকা তৈরি করার ক্ষেত্রে আপনার কি-ওয়ার্ড এর ব্যবহার করুন ।
ক্যাপশন (Caption) ব্যবহার করার চেষ্টা করুন সকল ভিডিওর মাঝে।
ক্যাপশন ব্যবহার করার ক্ষেত্রেও ক্যাপশনের মাঝে কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করুন । অটো ক্যাপশন ফাইল ডিজেবল করে দিন ।
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সম্পূর্ণ একটি প্রচেষ্টা এবং কৌশলগত ব্যাপার আর তাই আপনার ইউটিউব চ্যানেলটি অথবা ভিডিও গুলো অপটিমাইজ করার ক্ষেত্রেও আপনাকে ধৈর্য সহকারে কাজ করে যেতে হবে ।

 

Video URL পিং করে দেয়া

আপনি আপনার ভিডিওটি বিভিন্ন ধরণের পিং সাইট অথবা অন্যান্য কিউ এ সাইটে প্রকাশ করতে পারেন যেমন ধরুন (Quora,Pingler,pingme,Yahoo answer) এমন ধরণের সাইতে প্রকাশ করতে পারেন ।
পিংলার এমন একটি ওয়েবসাইট যেখানে আপনি আপনার লিংক আপলোড করে দিলে অটোমেটিক আপনার লিংক বিভিন্ন মাধ্যমে ব্যাকলিংক হিসেবে পরিণত হয়ে যাবে ।

এর ফলে আপনার ভিজিটর এর পরিমান অনেকটাই বাড়তে পারে ।

প্রথমেই আপনি গুগল সার্চ ইঞ্জিনে পিংলার (Pingler.com) লিখে সার্চ করে তাঁদের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন আপনার লিংক টি প্রবেশ করুন অবশেষে একটি ক্যাপচা কোড পূরণের মাধ্যমে আপনার কাজ শেষ করুন ।

 

ব্লগ অথবা ওয়েবসাইটের এ্যাড করে দিন

 

আপনার যদি ওয়েবসাইট থেকে থাকে অথবা ব্লগ থেকে থাকে তবে তার মাঝে কনটেন্ট এর সাথে মিল রেখে আপনি ভিডিও বানাতে পারেন এবং সেটা আপনার সাইটের মাঝে এমবেড করে দিতে পারেন ।

এর ফলে আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর যেমন আকর্ষণীয়তা হারিয়ে ফেলবে না ঠিক তেমন করে আপনার ভিডিওটির মাঝেও প্রচুর ট্র্যাফিক আসার সম্ভাবনা থাকে ।

 

share your video

বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ার চাইতে শক্তিশালী প্রচার মাধ্যম দ্বিতীয়টি আর নেই ।

আপনি নিজেও ভেবে দেখুন ইউটিউব নিজেও একটি বড় ধরণের সোশ্যাল মাধ্যম ।

আর তাই যতটুকু সম্ভব আপনার ভিডিওগুলো ফেসবুক,টুইটার সহ বিভিন্ন ধরণের সোশ্যাল মাধ্যমে ছড়িয়ে দেবার।

এর ফলে আপনার চ্যানেলের মাঝে ট্র্যাফিক আসবে অনেক গুন বেশি ।

 

নতুন Channel থেকে সাফল্য

 

আকর্ষণীয় চ্যানেলের নাম

চ্যানেলেরটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চ্যানেলের নাম ভালো না হলে আপনার চ্যানেল সেরকম কোন ভালো পর্যায়ে যাওয়ার আগেই ভেঙ্গে পড়তে পারে।

সবার থেকে আলাদা নাম রাখুন। যার নামে এর আগে কোন চ্যানেল তৈরি হইনি। না পেলে সময় নিন, ধীরে সুস্থে ভাবুন। এমন চ্যানেলের নাম রাখুন যা মানুষের জন্য কিছু অর্থ রাখবে এক কথাতেই আপনার পুরো চ্যানেলের বিষয় বৈশিষ্ট্য ফুটিয়ে তুলবে।

কখনই চ্যানেলের নাম কিওয়ার্ড এর সাথে পুরোপুরি মিলিয়ে রাখবেন না।

এতে আপনার তেমন কোন বেশি একটা লাভ হবে না।

আমার একটা চ্যানেল আমার নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড এর নাম দিয়ে বানানো হয়েছিল। ঐটার সাবসক্রাইবার এখন বর্তমানে 400+। এই একই কিওয়ার্ড এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে আপনার আর একটি চ্যানেলের একটি Unique নাম রেখেছিলাম। বর্তমানে সেখানে এখন 7000+ Subscriber আছে।

সুতরাং বুঝতেই পারছেন এটি আপনার চ্যানেলের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

অনন্য

চ্যানেলের কভার, Profile Picture, Description, Home Customization অবশ্যই উন্নত করে রাখবেন।

যাতে চ্যানেলের নাম এবং এর প্রতিটি বস্তু একে অপরের সাথে সম্পূর্ণভাবে খাপ খায় এবং সুন্দর দেখায়।

প্রচুর ভিডিও

ভিউ নেই বলে থেমে যাবেন না। ভিডিও আপলোড করতে থাকুন এবং কিন্তু তা অবশ্যই ভালো মানের ভিডিও হতে হবে।

সময় নষ্ট করবেন না

ভিডিও তৈরির প্রতিটি সেকেন্ডই মূল্যবান সেকেন্ড সময়ই মূল্যবান। কখনই একটি সেকেন্ড এর জন্যও আপনার ভিউয়ারসদের বিরক্ত হতে দিবেন না। একটুখনের জন্য তারা বিরক্ত হয়ে গেলেই তারা বাউন্স করবে। বাউন্স রেট 70% এর নিচে থাকলেই তা নেগেটিভ হিসেবে ধরা হয়।

Social Media এর সঠিক ব্যাবহার

বর্তমানে আধুনিক জীবনে মানুষ Google, Youtube থেকে আরো বেশি Facebook, Twitter, Instagram ইত্যাদি সোশ্যাল মিডিয়া বেশি চালায়।

তাই অবশ্যই প্রতিটি সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনার ফ্যান পেজ তৈরি করুন।

ঐখান থেকে আপনার চ্যানেলের ব্রান্ডিং করুন। কিন্তু অবশ্যই খেয়াল রাখবেন, এটি অ্যাডসেন্স তাই নিজের অফিশিয়াল পেজ ব্যতীত অন্য কোন জায়গায় পোস্ট দেয়া থেকে বিরত থাকুন।

ভিডিও প্রকাশ করার সঠিক সময়

একটি নির্দিষ্ট সময় চ্যানেলে ভিডিও ছাড়লে Audience এর সর্বচ্চ Engagements পাওয়া যায়। এর ফলে সাধারন ভিউ থেকে শতকরা 40%+ এর চেয়ে বেশি ভিউ পাওয়া সম্ভব।

চ্যানেলের ভিউয়ারস এর স্থান, ভাষা ও ইন্টারেস্ট এর উপর এই সময় নির্ভর করে। উদাহরণ হিসেবে আমার চ্যানেলের কথা বলি, আমার চ্যানেলের বেশিরভাগ ভিসিটর US, Canada এবং India থেকে আসে।

তাই আমি আমার বেশিরভাগ ভিডিও প্রতি সাপ্তাহের রবিবার একটি ও মঙ্গলবারে আর একটি ভিডিও পাবলিশ করি এবং Extra সময় পেলে শুক্রবারে আর একটি ভিডিও ছাড়ি।

এভাবে আপনিও আপনার নির্দিষ্ট সময় নির্বাচন করে নিতে পারেন।

সঠিক ভিডিও SEO

চ্যানেলের পপুলারটির 60%+ নির্ভর করে ভিডিও এস.ই.ও এর উপর। ভিডিওতে ভালো ভিউ আনতে হলে অবশ্যই ভালো SEO করতে হবে।

বাকিসব কন্টেন্ট এর কোয়ালিটির উপর নির্ভরশীল।

Thumbnails

ইউটিউব এর ভিডি দেখার আগে ভিউয়ারস তার Thumbnail দেখে বিবেচনা করে সেই ভিডি দেখে।

এই Thumbnail সে সর্বচ্চ ১-২ সেকেন্ড দেখে থাকে(আমি এই সময়ই দেখি :P)। এই ১-২ সেকেন্ডে যার Thumbnail যত ভালো হয় তত ভিউ পড়ে।

তাই Thumbnail যত ভালো হবে ভিউ তত বেশি পড়বে।

Thumbnail বানাতে Adobe Photoshop এর সাহায্য নিতে পারেন।

Secret টিপস

এখন প্রশ্ন হতে পারে যে, “রাঙ্কিং এ তো সবার শুরুতে First Viewers পেতে হয়।

এই First Viewers পাব কোথা থেকে? শত SEO করেও তো পারছি না।”

এর জন্য আপনাদের জন্য বিশেষ Tips। এটি হচ্ছে “COMMENTS”।

অন্য একই টপিক রিলেটেড ভিডিওতে গিয়ে কমেন্ট করুন।

কিন্তু আপনার ভিডিও এর লিঙ্ক দিয়ে স্প্যাম কমেন্ট নয়।

মানসম্মত কমেন্ট লিখুন। যেমন Nice, Awesome, I like this video, Thank u for the tips. একটি মান সম্মত উদাহরণ এমন হতে পারে, Your video is really helpful. Hope my videos can also help people like that. 😉 কিন্ত এমনি যে লিখতে হবে এমন কোন কথা নেই। অনেকেই এমন করতে গিয়ে স্প্যাম কমেন্ট করে ফেলে। তার থেকে শুধু “Very helpful, thanks” লিখে দেয়াটাই ভালো।

এর ফলে যখন ঐ ভিডিও যখন কোন মানুষ দেখতে যাবে, তখন আপনার চ্যানেলের কমেন্ট দেখবে। অফিশিয়াল নাম এবং Profile Picture তাকে ঐ চ্যানেলে কি আছে তা দেখতে উৎসাহিত করবে।

এতে আপনার নিজের বিনোদনও হবে আর কাজও হবে 😛

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

ভিডিও এর মানের উপর আর কোন ঔষুধ নেই। ভিডিও এর মান ভালো হলে একবার Top 20 ranking এ আসতে পারলে ইনশাল্লাহ উপরে উঠতে আপনাকে কেউ থামাতে পারবে না।

 

Content ID সিস্টেমে অ্যাপ্লাই করার নিয়মাবলী

বর্তমানে ইউটিউব প্রতি মিনিটে প্রায় ৩০০ ঘন্টার ভিডিও আপলোড হয়, ঐ ভিডিওতে ৪ বিলিয়ন ভিউ হয়, যার মধ্যে ৩ বিলিয়ন ঘন্টা মানুষ ভিডিও দেখে।

এতো বড় সিস্টেমে বিভিন্ন দুই নাম্বারি হওয়া তো স্বাভাবিক 😛 কিন্তু ইউটিউব সব কিছুই নিয়ন্ত্রনে রাখছে।

আসলে এর পিছনে মূল পদ্ধতি হচ্ছে Content ID।

সবাই আপনারা এটা জানেন, কিন্তু এই পর্যন্ত কেউ Content ID সিস্টেমে আপ্পলাই করার ধারের কাছেও গিয়েছিলেন নাকি সন্দেহ।

খুবই কম মানুষ এই নিয়ে সতর্ক।

বিশেষ করে বর্তমানে বাংলাদেশে। বড় বড় পপুলার চ্যানেলও কন্টেন্ট আইডিতে নিজের চ্যানেল আয়তাভুক্ত করেনি।

যার পরিণাম একটাই, তার ভিডিও অন্যরা কপি মারে। আর সে সারাদিন বসে বসে একটা একটা করে রিপোর্ট মারে। তবুও কিছু হয় না।

দেখেন Content ID আপনার ভিডিওকে কি কি জিনিস হতে বাচাতে পারে। সাথে কোন কোন জিনিসে কপিরাইট ধরতে পারে।।

1. যেকোনো ভিডিও এর Mashup বা Compliation.

2. এমনকি রিমিক্স করা গানেও Content ID match হয়।

3. গেম খেলার ভিডিও।

4. মিউজিক বা ভিডিও।

5. কোন stage performance এর ভিডিও।

6. এমনকি কনসার্ট এবং বিভিন্ন শো পারফারমেন্সও
এখন বুঝতেই পারছেন এই জিনিসটা কতটা জরুরী।

কিন্তু Content ID সিস্টেমে আপ্পলাই করার জন্য কিছু নিয়মাবলি আছে, সাথে রয়েছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।।

এগুলোতে ভুল হলে আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যানও হতে পারে, আর বড় সড় কিছু হলে আপনাকে কোর্টেও যাওয়া লাগতে পারে। তাই সব কিছু বুঝে শুনে করবেন।

Content ID তে আপ্পলাই করার জন্য অবশ্যই আপনার চ্যানেলের এই জিনিসগুলো অবশ্যই থাকতে হবে

1. আপনার সব ভিডিও এর মালিক আপনাকে নিজেকে হতে হবে।

এমনকি ভিডিওতে ব্যাবহার করা মিউজিকেরও। লাইসেন্স করা ভিডিও বা মিউজিক হলে অবশ্যই তার সার্টিফিকেট থাকতে হবে এবং তা আপ্পলাই করার সময় ইউটিউবে জমা দিতে হবে।

2. আপনার চ্যানেলের একটি ওয়েবসাইট থাকতে হবে এবং ওয়েবসাইটের ভালো ডিজাইন ও নেভিগেশন থাকতে হবে।

3. চ্যানেলে ওয়েবসাইট ভেরিফাই করা থাকতে হবে।

4. চ্যানেলের বয়স কমপক্ষে এক মাস হতে হবে।

5. চ্যানেলে সর্বনিন্ম ৫টি ভিডিও থাকতে হবে (যত বেশি হবে তত ভালো)।

6. ভিডিও যে আপনার এর সঠিক কোন প্রমাণ, যেমন ভিডিওতে আপনার চেহেরা, লিখিত কোন তথ্য যা দেখে ইউটিউব নিশ্চিত হতে পারে যে আপনার চ্যানেলের সকল ভিডিও এর মালিক আপনি নিজে।

এগুলোই লাগতে পারে। যদি আপনি আপনার চ্যানেলের সকল ভিডিও স্বত্বাধিকার হিসেবে কোন প্রমাণ না দিতে পারেন, তাহলে ইউটিউব আপনার আপ্লিকেশন রিজেক্ট করবে। কিন্তু হতাশ হওয়ার কিছু নেই। তারা যদি মনে করে আপনাকে content id এর অন্য কোন টুলস দেয়া যেতে পারে, তাহলে তারা আপনার ভিডিও কপি হলে তা আপনাকে নটিফিকেশনের মাধ্যমে জানিয় দেবে।

কিন্তু তারা এটি খুবই কমই দিয়ে থাকে। এই পর্যন্ত এরকম কাউকে দেখিনি।

এখন দেখা যাক কিভাবে Content ID তে আপ্পলাই করবেন।

1. আপনার যেই চ্যানেল দিয়ে কন্টেন্ট আইডির জন্য আপ্পলাই করতে চান সেই চ্যানেলে লগিন করুন।

2. এখানে যান youtube.com/content_id_signup.

3. সকল ইনফরমেশন পূরণ করুন।

4. এইবার উপরের সকল তথ্য পূরণ করার পর নিচে দুইটা বক্স দেখবেন।

5. প্রথমটি আপনি কেন Content ID Verfication Program এ আপ্পলাই করতে চান তার কারণ বিস্তারিত বলুন। 100-200 words দিলেই যথেষ্ট।

6. এরপরের বক্সে আপনার ভিডিও এর একটি লিস্ট দিবেন, যেই ভিডিওতে আপনার স্পেশাল অধিকার রয়েছে (কিছু প্রমাণআদি দিতে পারলে আরো ভালো)।

7. এখন সাবমিট করুন।

8. ইউটিউব আপনাকে একটা ফিরতি মেইল পাঠিয়ে দিবে। যার মধ্যে আপ্পলাই করার কনফারমেশন পাবেন।

এখন অপেক্ষা করুন যতখন পর্যন্ত না ইউটিউব কপিরাইট সেন্টারের মেইল থেকে আপ্প্রভ হওয়ার মেইল আসছে।

দারান দারান আপনার কাজ শেষ হয়ে যায়নি। যদি আপনার ভিডিও Content id program এ আপ্প্রভ হয়েও যায় তবুও আর কাজ আছে।

আপনাকে আপনার ভিডিও নিয়ে ইউটিউবে একটি এগ্রিমেন্ট দিতে হবে, যার মধ্যে আপনাকে দেখিয়ে দিতে হবে কোন ভিডিও এর উপর আপনি অফিশিয়ালি অধিকারের মালিক। আপনার চ্যানেলের ৫০%+ ভিডিও এর উপর আপনার সম্পূর্ণ কপিরাইট থাকতে হবে।
আর যদি আপনার ভিডিও এর উপর অধিকার পুরো বিশ্বব্যাপী না হয়, তাহলে আপনাকে বাংলাদেশের জন্য Ownership prove করতে হবে।

যদি কন্টেন্ট আইডি আপ্প্রভ হয় তাহলে আপনার ভিডিও কেউ কপি করলে আপনি তার বিরুধে এই অ্যাকশনগুলো নিতে পারবেন।

ভিডিও বিশ্বব্যাপী ব্লক করা।

ভিডিও তার বিরুধে মনেটাইজ করা। তার মানে ঐ ভিডিও এর অ্যাড রেভিনিউ থেকে যত যা টাকা আসবে সব আপনি পাবেন।

ভিডিও মিউট করা।

এতো কিছুর পর যে কেউ ভাবতেই পারে, কন্টেন্ট আইডি না থাকলে কপিরাইট ধরবে না। এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। কপিরাইট অবশ্যই ধরবে। কিন্তু Content ID এর মত এতো কঠোর ভাবে ধরতে পারবে না।

আর কপিরাইট না আসলে অবশ্যই commercial use rights চাইবে।

 

নতুনদের জন্য ইউটিউব ভিডিও মার্কেটিং

 

কিভাবে বাংলাদেশ এর নামকরা ইউটিউবার, সালমান মুক্তাদির, আসিফ বিন আজাদ, শামীম হাসান সহ যাদের কে সবাই ইউটিউবার হিসিবে চিনে কিভাবে এমন নামকরা ইউটিউবার হতে পারবেন কিভাবে গেম খেলে ইনকাম করবেন এবং আরও কিছু উপায়ে ইনকাম করতে পারবেন তার গাইডলাইন।

সো প্রথমে জেনেনিন কিভাবে একজন সফল ইউটিউবার হতে পারেন,

কি কি লাগবে? ?

# একটি ইউটিউব একাউন্ট।

# একটি মোটামোটি ভালো মানের কম্পিউটার।

# ওয়েব ক্যাম।

# ডিজাটাল ক্যামেরা, আপনার মুঠোফোন টি ও কাজে লাগাতে পারেন, ভালো ক্যাম্যরা লাগবে এমন কোন কথা নাই।

# ইন্টারনেট কানেকশন।

# ভালো ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার ( হিট ফিল্ম এক্সপ্রেস এটা ব্যবহার করতে পারেন একদম ফ্রি এটা দিয়ে হাইকোয়ালিটি ভিডিও এডিটিং করা যায় ( ইউটিউবে কি ভাবে এটা দিয়ে কাজ করবেন ফুল টিউটোরিয়াল দেয়া আছে।

# কিছু ভাল বন্ধু যারা নিশার্থ ভাবে আপনার সাথে কাজ করবে।

আমাদের দেশে অনেক ইউটিউবার রয়েছেন তাদের মধ্যো এ গুটি কয়েক জন সাক্সেস রয়েছেন আরও অনেকে কাজ করতেছেন কিন্তু সাক্সেস হতে পারতেছেন না কি ভাবে সাক্সেস হবেন তা নিয়েই ই আমার এই লেখা
সাক্সেস ফুল ইউটিউবার হল সবার পরিচিত ব্যক্তি ইন্টারনেট এর দুনিয়ায়, যারা কিনা পপুলার গেমস, ফানি ভিডিও, প্রাংক ভিডিও, মোবাইল আনবক্সিং ভিডিও তৈরি করে থাকে এবং তা ইউটিউবে আপলোড করে এবং সেটা থেকে টাকা ইনকাম করে থাকে, এবং অনেকে আছে যারা তাদের প্রতিদিনের লাইফ স্টাইল এর ভিডিও আপলোড করে টাকা ইনকাম করে থাকে।

এবার আপনি চিন্তা করুন কোনটি করবেন?

মনে করেন আপনি ভালো কমেডিয়ান তাহলে আপনি ফানি ভিডিও নিয়ে কাজ করতে পারেন দুই তিন জন ভালো বন্ধু নিয়ে ফানি ভিডিও তৈরি করতে পারেন কেমন টাইপের ভিডিও মানুষ দেখে তার আইডিয়া নিতে ইউটিউব এ গিয়ে বাংলা ফানি ভিডিও লিখে সার্চ দিন আইডিয়া পেয়ে যাবেন।

একটি সুন্দর ইউটিউব এর চ্যানেল এর নাম দিন, অনেকেই দেখি আলতু ফালতু নাম দেন।

আপনার চ্যানেল এর জন্য প্রথম ভিডিও তৈরি করুন :

অনেকে আছে খালি স্লাইড ভিডিও বানায়, স্লাইড ভিডিও দিয়ে তেমন সফল হওয়া যায়না এটি আপনি আপনার মুঠো ফোন দিয়ে রেকর্ড করে আপলোড করতে পারেন তাতে করে তারা তারি সফল হবেন আপনার ভিওয়ার বাড়বে সাবসক্রাইবার ও বাড়বে তারাতারি।

# আপনার ভিডিও টি ভালোভাবে এডিটিং করুন কিছু টেকস্ট ইমেজ ইফেক্ট দিন দএতে করে আপনার ভিডিওর লুক অনেক ভাল হবে এবং দেখতে অনেক প্রফেশনালি দেখাবে।

# ভিডিও এডিট করা শেষ হলে এবার আপলোড করার পালা, আপলোড করার সময় অবশ্যই ভালোভাবে টাইটেল ট্যাগ এবং ডেসক্রিপশ্ন দিবেন এই গুলা যদি ঠিকমত না দেন তাহলে আপার ভিডিও তেমন ভিউ হবেনা আর ভিডিও ভালো ভাবে SEO করবেন তাতে করে আপনার ভিডিও র্যাকং হবে তারাতারি, আর ভালো একটি ভিডিও থাম্বলাইন দিবেন শুধু মাত্র এক্টি ভাল ভিডিও থাম্বলাইন এর কারনে আপনার একটি ভিডিও ১৫০ গুন পর্যন্ত বেশি ভিউ হতে পারে, কিভাবে থাম্বলাইন বানাবেন সেটা দেখতে ইউটিউবে গিয়ে how to make youtube thambnil লিখে সার্চ দেন সব পেয়ে যাবেন কি ভাবে কি করতে হবে।

আর যারা ইউটিউবে অনেক পপুলার তাদের ভিডিও তে দেখবেন অনেক সুন্দর সুন্দর থাম্বলাইন দেয়া আর তাদের ভিউ ও অনেক।

# আপনার ভিডিওর ভিউ বাড়াবেন যেভাবে #
সব কিছু হয়ে গেরে ভিডিও টি আপনার কাছের বন্ধু বান্ধব এর কাছে শেয়ার করুন তাদের দেখতে বলুন এবং শেয়ার করতে বলুন এবং সাসক্রাইব করতে বলুন আর ভিডিও টি ফেসবুক, টুইটার, রেডিট, গুগোল প্লাস এ শেয়ার করতে বুলবেন না, আর টুইটার এ ফলোয়ার বাড়াতে টুইপি সাইটটা ব্যবহার করতে পারেন ভালো ফল পাবেন, আর আপনি যদি আরেকটু তারাতারি সফল হতে চান তাহলে ফাইবারের সার্ভিস নিতে পারেন এখান থেকে ভিউ এবং সাস্ক্রাইবার কিন্তে পারবেন আপনার পরিচিত ইউটিউবার কে আপনার ভিডিও টি দেখতে এবং সাস্ক্রাইব করতে বলুন এতে করে আপনার ভিডিও টি ও মিলিয়ন ভিউ হয়ে যাবে।

এটা ও একটা সিক্রেট টিপস।

# ভিডিও এর এর কোয়ালিটি অনেক ভালো রাখতে হবে, লো কোয়ালিটির ভিডিও বানালে তেমন সফল হবেন না ভিডিও ৭২০ p hd তে রাখার জন্য ট্রাই করবেন করবেন সব সময়।

কিছু টিপস :

সব সময় ইউনিক ভিডিও বানাবেন কারো থেকে কপি মারার ট্রাই করবেন না।

ভিডিও তে কোন স্পাম করবেন না, অশাধু উপায়ে কাজ করবেন না,

ভিডিও বানানো থামাবেন না , যারা সফল ইউটিউবার তারা ও আপনার মত ছিল, তাদের ও প্রথম অবস্থায় কোন সাবস্ক্রাইবার ছিলনা সো বেশি করে ভিডিও বানালে ভিডিও বানালে আমার দেয়া ট্রিকমত সফল হবেন ই 🙂
গেল কিভাবে ইউটিউবার হবেন 😛।

কিভাবে আপনারা গেমস নিয়ে কাজ করবেন, কি সফটওয়্যার ব্যবহার করবেন,কিভাবে একজন সফল ইউটিউব গেমার হবেন আরও বিভিন্ন টিপস যাই হোক কথা না বাড়িয়ে শুরু করলাম!!!

১ / প্রথমে আপনার একটি হাই কনফিগ এর পিসি লাগবে, কোর আই ৫ প্রসেসর, ৪ জিবি র্যাম, ৮ জিবি হলে আরও ভালো হয়, এবং ২ জিবি গ্রাফিক্স কার্ড , ১ টেরা বাইট হার্ড ডিক্স।

২/ প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার, আপনার স্কিন রেকর্ড করার জন্য FRAPS অথবা camtasia, power director,bandy cam ব্যবহার করতে পারেন, আপনি যদি আপনার নিজের ভিডিও করতে চান তাহলে একটি ভিডিও ক্যামেরা রাখতে পারেন, এবং আপনার সাউন্ড ও আপনি রেকর্ড করতে পারেন তাতে করে আপনার চ্যানেল এর জনপ্রিয়তা অনেক তারা তারি পাবে ভিউ ও পাবেন অনেক আর হা অডিও এডিটিং এর জন্য audio city ব্যাহার করতে পারেন এটি ফ্রি এবং ব্যবহার করতেও অনেক ইজি।

৩/ ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার, আপনি বিগিনার হয়ে থাকলে ক্যামটাসিয়া, windows movie maker, ব্যবহার করতে পারেন আর আপনি যদি আপনার গেম এর ফুটেজ কে আরও প্রফেশনাল লুক দিতে চান তাহলে sony vegas pro, adobe premier pro এবং after effects ব্যবহার করতে পারেন।

৪/ আপনার সব যখন হাতের মুঠোয় থাকবে এবার আপনার ভাবভার পালা আপনি কি গেমস খেলতে চান? এখন বতর্মানের সাড়া জাগানো গেমস গুলো হলো, fifa, grand theft auto, minectaft, skyrim, এবং lego games আমি এখন ফিফা, পকিমন গো আর মিনিক্রাফট খেলি ভিউ ও আসে অনেক ভাল,

৫/ যখন আপনার গেম ও সিলেক্ট হয়ে যাবে তখন শুধু আপনার খেলার পালা আর রেকর্ড করার পালা,

গেমের রিভিও দেয়ার পালা, এরপর ভালো ভাবে এডিটিং করে ইউটিউবে আপলোড করার পালা,

আর আপনারা যারা গেমিং নিয়ে কাজ করবেন তারা ২-৩ জন মিলে করবেন,

একজন ভিডিও এডিটিং করবেন আরেক জন অডিও এডিটিং করবেন,

আরেকজন ভালো ভাবে ইউটিউব চ্যানেল টাকে অপটিমাইজ করবেন,

আর যখন কাজ করবেন তখন একটা শিডিউল করে নিবেন কখন কি কাজ করবেন,

৬ / সব ইতো করলেন এখন বলবেন গেমসতো খেলি কিন্তু ভিউ পাইনা কেন, আমার ভিডিও তে ভিউ আসেনা কেন?

এই প্রশনের উত্তর হল আপনি আপনার ভিডিও টাকে ওপটিমাইজ করে নিতে হবে।

আপনার ভিডিও টা অবশ্যই HD কোয়ালিটির হতে হবে কমপক্ষে 720p আর 1080p হলে আরও ভালো হয়।

তাহলে আপনার যে ভিওয়ার আছে তারা দেখে ভালো লাগলে আরও অনেক যায়গায় শেয়ার করবে,।

আর ভিডিও যখন আপলোড দিবেন তখন অবশ্যই ভালো ভাবে টাইটেল, ট্যাগ, ডিস্ক ক্রেপশন ভালো ভাবে দিবেন।

আর আপনার ভিডিও টা অবশ্যই ফেসবুক, টুইটার, গুগোল প্লাস, পিন্টারেস্ট, ডেইলিমোশোন এ শেয়ার করবেনা।

তাহলে ভালো ভিউ পাবেন, আর যখন আপনার ভয়েজ দিবেন তখন অবশ্যই ইংরেজিতে কথা বলার জন্য ট্রাই করবেন।

আপনি হিউজ পরিমান টাকা ইনকাম করতে পারবেন 😀

কিছু টিপস :

আপনি যখন ভিডিও মেক করবেন তখন সেখানে মানুষ দেরকে বিনোদোন দেয়ার জন্য ট্রাই করবেন।

তাতে করে আপনার চ্যানেল এর পপুলারিটি অনেক বৃধি পাবে।

কখোনো ই অন্য মানুষ কে কপি করবেন না, আপনি নিজে করার জন্য ট্রাই করবেন।

খুব ভালো এবং HD কোয়ালিটির ভিডিও মেক করবেন তাহলে আপনার ভিউয়ার আপনার পুরো ভিডিও টি দেখবে।

আপনার কমেন্ট বক্স এ অনেকে খারাপ মন্তব্য করতে পারে সেটাকে আপনি পজিটিভ ভাবে নিবেন।

যখন ভিডিও এডিট করবেন তখন ভিডিও তে intro দেয়ার জন ট্রাই করবেন এটা ও ভিউ ভারাতে অনেক কাজে দিবে।

আপনার চ্যানেল এর অন্য ভিডিও এর উপরে আপনার অন্য একটি ভিডিও রাখবেন তাহলে আপনার ভিউ বাড়বে।

আর সর্বশেষ কথা হলো ভিডিও মেক করা কখোন ও বন্ধ করবেন না।

আর কারো কোন বুজতে সমস্যা হলে কমেন্ট করবেন 🙂
আরও কিছু উপায় 😛 😀

 

৮ টি ক্রিয়েটিভ উপায়

১ / আপনার ওয়েবসাইট এর ট্রাফিক বাড়াতেঃঃ

মনে করেন আপনার একটি ওয়েব সাইট আছে, এখন সেই ওয়েব সাইট এর জন্য ট্রাফিক দরকার।

এর জন্য আপনি ইউটিউব ব্যাবহার করতে পারেন, আপনি আপনার ওয়েবসাইটকে টার্গেট করে ভিডিও বানাতে পারেন।

ওয়েব সাইটের মাধ্যমে আপনি কি কি সার্ভিস দিতে চান সেটার উপর একটা ভিডিও তৈরি করেন এই ভিডিও আপনি পাওয়ার পয়েন্ট, উইন্ডোজ মুভি মেকার দিয়ে খুব সহজে ভিডিও তৈরি করতে পারেন এতে করে আপনার যখন আপনি ভিডিও আপলোড করবেন তখন ভিডিও এর ডেসক্রিপশন এ আপনার ওয়েব সাইটের লিংক দিয়ে দিবেন। তাতে করে আপনার ওয়েব সাইটের ট্রাফিক বাড়বে সেখান থেকে একটা ইনকাম আসবে আবার আপলোড করা ভিডিও থেকেও ইনকাম আসবে।

২ /ইউটিউবে নিজের প্রোডাক্ট বিক্রি করে আয় করুন :

ইউটিউবের মাধ্যমে এখন আপনি নিজের প্রোডাক্ট বিক্রি করতে পারেন।

আপনার ইবুক, মিউজিক, মোবাইল সফটওয়্যার, আপনার প্রোডাক্ট ভিডিও তেৈরি VideoMakerFX ব্যবহার করবেন।

এবং ইউটিউবে আপলোড করার সময় আপনার পন্য টি কিনার লিংক দিয় দিবেন ভিডিও ডেসক্রিপশন এ।

৩। এ্যফিলিয়েট মার্কেটার হয়ে প্রোডাক্ট সেল করে আয় করুন :

এ্যফিলিয়েট মার্কেটিং হল কিছু কমিশন এর মাধ্যমে অন্যের প্রোডাক্ট সেল করে আয় করা,

হাজার হাজার কোম্পানি এ্যফিলিয়েট মার্কেটার দের সাথে চুক্তি করে তাদের কোম্পানির প্রোডাক্ট সেল করে দেয়ার জন্য এবং তাদের কোম্পানির প্রচার এর জন্য যেমন Amazon and eBay, ClickBank, and ShareASale.com.

ইউটিউব থেকে এ্যফিলিয়েট মার্কেটার হয়ে আয করতে চাইলে,

আপনি তাদের প্রোডাক্ট এর রিভিও ভিডিও তৈরি করে এবং কিভাবে এটা ব্যাবহার করা যায় তার উপর টিউটোরিয়াল তৈরি করবেন।

যখন আপনি ইউটিউবে তাদের ভিডিও আপলোড করবেন তখন আপনার এ্যফিলিয়েট লিংক ভিডিও ডেসক্রিপশন এ দিয়ে দিবেন।

এখন পন্য টি যতবার সেল হবে আপনি তার উপরে একটা কমিশন পাবেন।

৪ / হয়ে যান ইউটিউব পার্সোনালিটি :

ইউটিউব এ স্টার যারা আছে তারা মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার আয় করতেছে BlueXephos তার ই উদাহরন এই চ্যানেল টিতে বিলিয়ন ভিউ হয়েছে আরও হবে সে প্রতি ১০০০ ভিউতে প্রায় ৬ থেকে ৭ ডলার ইনকাম করে নিচ্ছে।

এখন আপনি সালমান মুক্তাদি বা শামিম এর মত আপনার বন্ধু বান্ধব নিয়ে বাংলা ফানি ভিডিও, শিক্ষা মূলক ভিডিও, তেরি করে ও ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে পারেন।

৫ / টিউটোরিয়াল ভিডিও তৈরি করে ইনকাম করুন :

ইউটিউবে টিউটোরিয়াল ভিডিও এর অনেক চাহিদা রয়েছে,

মনে করেন আপনি ফটুশপ, এবং বিভিন্ন ভিডিও এডিটং, ওয়েব ডিজাইন এর কাজ যানেন এখন এগুলোর উপর টিউটোরিয়াল তৈরি করে ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে পারেন আর টিউটোরিয়াল ভিডিও ইউটিউবে ভিউ হয় অনেক।

৬/ ইউটিউবে আপনার বাচ্চার অথবা আপনার পোষা বিড়াল এর ভিডিও দিয়ে ইনকাম করুন :

আপনি ইউটিউবে পপুলার অথবা স্টার হতে হলে বড় সিংগার, বড় গায়ক হতে হবে এমন কোন কথা নেই আপনি আপনার বাচ্চার, বিড়াল এর, ফানি ভিডিও গুলো মুঠোফোন এর মাধ্যমে ভিডিও করে ইউটিউবে আপলোড করে দিন, দেখবেন কি পরিমান ভিউ হয়, আর ইউটিউবে আপনি baby funy video, animal video লিখে সার্চ দিয়ে দেখবেন সেই ভিডিও গুলোতে কি পরিমান ভিউ।

৭/ গেমস খেলে এবং সেটা স্কিন রেকর্ড করে ইউটিউবে আপলোড করে ইনকাম করুন :

আপনি যদি গেম পাগলা হয়ে থাকেন তাহলে সেটা ইউটিউবে আপলোড করে আপলোড করে ইনকাম করতে পারেন, বর্তমানে পকিমন গো, ফিফা গেম, এবং মিনিক্রাফট গেম এর অনেক চাহিদা রয়েছে এই গুলা খেলে স্কিন রেকর্ড করে ইউটিউবে আপলোড করে হাল্কা এডিটিং করে ইউটিউবে আপলোড করুন এবং ইনকাম করুন।

৮/ নতুন নতুন মোবাইল এর আনবক্সিং ভিডিও এবং সেটার রিভিও দিয়ে ইনকাম করুন :

আপনার যদি মোটামোটি ভালো বাজেট থাকে তাহলে নতুন নতুন ফোন কিনে সেটার রিভিও দিতে পারেন,

মোবাইল ফোন এর অানবক্সিং এবং রিভিও ভিডিও এর ইউটিউবে অনেক চাহিদা রয়েছে,

সব চাইতে বেশি ইনকাম করতে পারবেন যদি রিভিও দেয়ার সময় ইংরেজী তে কথা বলে দিতে পারেন,

ইংরেজি বলাটা উপরোক্ত সব গুলো গুলো আয়ের মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারলে আপনার ইনকাম আরও বহুগুন বেড়ে যাবে।

 

এডসেন্স থেকে টাকা উত্তলোন

অনলাইনে বিজ্ঞাপনের বেশ জনপ্রিয় মাধ্যম এখন অ্যাডসেন্স।

সাধারণত এ মাধ্যম ব্যবহার করে ব্লগ ও ওয়েবসাইটের বিজ্ঞাপন এবং ইউটিউবে ভিডিও মনেটাইজের মাধ্যমে আয় আসে।

সিপিসি (কস্ট পার ক্লিক) ও সিপিএমের (কস্ট পার মাইল/প্রতি হাজার ইম্প্রেশনে কস্ট) ক্ষেত্রে ভালো দর দেওয়ায় অ্যাডসেন্স প্রতিযোগীদের মধ্যে সব সময়ই সেরা।

আমাদের দেশেও অনেকে এ মাধ্যম ব্যবহার করে আয় করছেন।

ব্লগ থেকে আয়ের পাশাপাশি ইউটিউব মনেটাইজেশন ও অ্যাডমব থেকে আয় আসার কারনে অ্যাডসেন্স ভিডিও ব্লগার ও অ্যাপ ডেভেলপারদের কাছে পেয়েছে গ্রহণযোগ্যতা।

মাসে ১০০ ডলারের বেশি কিংবা ৬০ পাউন্ডের বেশি হলে অ্যাডসেন্স তা পাবলিশারের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেয়।

এ টিউটোরিয়ালে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলার প্রক্রিয়া তুলে ধরা হলো। এটি খবুই সহজ এক প্রক্রিয়া।

টাকা তোলার প্রক্রিয়া

প্রথমে অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্টে লগইন করে পেমেন্ট সেটিংস অপশনে গিয়ে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত যেভাবে চেয়েছে সেভাবে যোগ করুন।

তথ্য দিতে গেলে আপনার ব্যাংকের সুইফট কোড প্রয়োজন হবে।

তাই যে ব্যংকে আপনার অ্যাকাউন্ট সেখানে যোগাযোগ করে সুইফট কোড জেনে নিন।

পেমেন্ট মেথড যোগ করার পর আপনার কাজ মোটামুটি শেষ।

এরপর ১০০ ডলার বা তার বেশি হলে তা আপনার অ্যাকাউন্টে চলে আসবে।

জানুয়ারি মাসে যদি আপনার ১০০ ডলার বা তার বেশি হয় তবে তা ফেব্রুয়ারির ২০ থেকে ২৬ তারিখের মধ্যে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে।

কোন ভুলত্রুটি হলে কমেন্টে জানাবেন।

যদি ভাল লাগে তাহলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন।

ইউটিউব সম্পর্কে আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে আমাকে জানাতে পারেন।

  • Add Your Comment

%d bloggers like this: