নিবন্ধ বা আর্টিকেল লিখে আয় করুন | আউটসোর্সিং ও ব্লগিং |

একটি ব্লগ বা ওয়েব সাইটের জন্য নিবন্ধ বা আর্টিকেল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের অনেক মানুষ আজ ওয়েব সাইট অথবা ব্লগ সাইটের জন্য আর্টিকেল বা নিবন্ধকে রাজা হিসেবে আখ্যায়িত করে থাকে।

নিবন্ধ বা আর্টিকেল শুধুমাত্র ব্লগ বা ওয়েব সাইটের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয় বরং এটি সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন অর্থাৎ (এস.ই.ও) এর জন্যও খুব গুরুত্বপূর্ণ।

এক কথায় আমরা বলতে পারি নিবন্ধ বা আর্টিকেল ছাড়া একটি ব্লগ পুরোপুরি অসহায়।

একজন ব্লগারের কাজ শুধুমাত্র ব্লগ সাইট কিংবা ওয়েব সাইটের নিবন্ধ বা আর্টিকেল পাবলিশ করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় ।

একজন ভালো মানের ব্লগার হিসেবে আপনার নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে তুলতে হলে আপনাকে অবশ্যই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখতে হবে আর না হলে সামাজিকভাবে তো বটেই এছারাও সার্চ ইঞ্জিনের কাছেও গ্রহণযোগ্যতা হারাবে।

তাই একজন ব্লগার হিসেবে আপনাকে সর্বদাই নিচে উল্লেখিত বিষয়ের উপর ভালো ধারনা থাকতে হবে ।

 

১.আর্টিকেল বা নিবন্ধ লিখার সময় প্রথমে আপনাকে পাঠকের চাহিদা বুঝতে হবে।

তারপর আপনাকে খুজতে হবে আপনি যে বিষয়ের উপর আর্টিকেল বা নিবন্ধ লিখছেন সেই বিষয়টি আপনার ব্লগের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না ।

পাঠকের চাহিদার পাশাপাশি ব্লগের জন্য সামঞ্জস্যপূর্ণ নিবন্ধ বা আর্টিকেল খুবই জরুরী অন্যথায় নির্দিষ্ট কি-ওয়ার্ড থেকে সার্চ ভিজিটর পাওয়া কষ্টকর হয়ে পড়ে ।

২.আর্টিকেল বা নিবন্ধ লেখার সময় আপনি যেই বিষয়ের উপর নিবন্ধ বা আর্টিকেল লিখছেন সেই বিষয়ের উপর গুরুত্ব দেওয়া উচিৎ।

নিবন্ধ লেখার সময় অন্য কোন চিন্তা যদি মাথায় থাকে তাহলে তা আপনার কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্থ করবে ।

এরকম সময় সাধারনত আপনার নিবন্ধের ভেতরে চিন্তার কোন ছাপ পড়াটাই স্বাভাবিক।

তাই যখন আপনার ভাল লাগবে, যখন মুক্ত সময় পাবেন, যখন আপনার মানসিক অবস্থা ভাল থাকবে ঠিক তখন নিবন্ধ লিখুন।

৩.আর্টিকেল বা নিবন্ধের জন্য শিরোনাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। আপনি সবসময় আকর্ষণীয় শিরোনামে আর্টিকেল বা নিবন্ধ প্রকাশের চেস্টা করুন।

এতে করে আপনার পাঠক আপনার নিবন্ধের প্রতি আকৃষ্ট হবে ফলে আপনি নিয়মিত পাঠক পাবেন।

৪.ভুমিকাতে আপনার নির্বাচিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের কিছু অংশ তুলে ধরুন, যাতে মুল নিবন্ধের কিছু মুল অংশ প্রকাশ করে ফলে অলস পাঠক দুই এক লাইন পড়েই হারিয়ে না যায়।চেস্টা করুন আকর্ষণীয় কিছু বিষয় এবং উপাদান রাখার।

৫.প্রতিটি আর্টিকেল বা নিবন্ধ কমপক্ষে তিনশো শব্দের লিখুন।

আপনি চাইলে বেশিও লিখতে পারেন। তবে দেখবেন একই কথা জেনো বারবার না লিখেন।

কেননা একই কথা বারবার পড়ার ফলে পাঠক বিরক্ত হতে পারে।

নিবন্ধ বেশী বড় না লিখে মুল বিষয় এবং বিশ্লেষণ ছোট এবং সুন্দরভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করুন।

৬.নিবন্ধের ভিতরের অংশে বা আপনার থিমের সাথে মানানসই জায়গায় একটি ছবি সংযুক্ত করার চেস্টা করুন ।

ছবিটি যেন অবশ্যই আপনার নিবন্ধের সাথে সম্পর্কযুক্ত হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।

৭.লেখা শেষ হবার পরে আপনাকে নিবন্ধটির জন্য অবশ্যই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেসন অর্থাৎ (এস.ই.ও) সহায়ক কি-ওয়ার্ড লিখতে হবে।

৮.তারপর আপনাকে আপনার লেখা পুরো নিবন্ধটি একবার দেখতে হবে,অর্থাৎ আপনাকে আপনার লেখা পুরো নিবন্ধটি রিভিশন দিতে হবে।

মনে রাখবেন নিবন্ধ বা আর্টিকেল লেখা কোন কঠিন বিষয় নয়, আবার অনেক সহজও নয়।

নিবন্ধ বা আর্টিকেল লিখার জন্য আপনার অবশ্যই অনেক ধৈর্যের প্রয়োজন।

মনে রাখবেন অস্থির মানসিকতার ব্যাক্তিরা কখনোই ব্লগ ,নিবন্ধ বা আর্টিকেল লিখতে পারে না।

তাই আপনার মাঝে যদি অস্থিরতা থাকে তাহলে তা আজ থেকেই দূর করার চেষ্টা করুন।

যে বিষয়ের উপর আপনার ভাল ধারনা বা জ্ঞান আছে সেই বিষয়ের উপরই নিবন্ধ লিখুন।

Leave a Reply