তিন উত্তম কাজ যা মৃত্যুর পরও উপকারে আসে


তিনটি উত্তম কাজ যা মৃত্যুর পরেও উপকারে আসে

হযরত আবূ হুরাইরা (রাঃ) হইতে বর্নিত হয়েছে,
মহানবি (সঃ) ইরশাদ করেছেন- যখন মানুষ মারা যায় তখন মানুষের আমলের ধারা বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু তিন ধরনের আমলের সাওয়াব সদা সর্বদা অব্যাহত থাকে। ১. সাদকায়ে জারিয়াহ।
২. এমন ইলম (বিদ্যা) যার দ্বারা মানুষের উপকার সাধিত হয়।
৩. সুসন্তান, যে তার পিতা মাতার জন্য দোয়া করে ।(সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ১৬৩১/১৪)

তিন উত্তম কাজ  যা মৃত্যুর পরও উপকারে আসে 

প্রথমতঃ
 সদকায়ে জারিয়াহ বা প্রবাহমান দানঃ
যে দানের ফল দীর্ঘস্থায়ী হয় তাকে সদকায়ে জারিয়াহ বলা হয়।   অর্থাৎ এমন কাজ যা হতে জনগন দীর্ঘদিন পর্জন্ত উপকৃত হতে পারে। যেমন, রাস্তাঘাট, পুল, মশজিদ মাদ্রাসা ,হাসপাতাল ইত্যাদি নির্মান।   

মহানবি (সঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য মশজিদ বানাবে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের মধ্যে একটি ঘর বানাবেন ।

দ্বিতীয়তঃ
এমন ইলম বা বিদ্যা যার দ্বারা মানুষ উপকৃত হয়। কোন দ্বীনি পুস্তক প্রনয়ন করা যা পাঠ করে মানুষ হিদায়াত লাভ করবে ,উপকৃত হবে, কোন জ্ঞান চর্চা ক্রেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা যেখানে সাধারন মানুষ জ্ঞান চর্চা করতে পারে ।

তৃতীয়তঃ
 পুন্যবান সন্তান বা সুসন্তান বলতে সে সন্তানকে বুঝায় যে সন্তান পিতামাতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল ।তাদের খেদমতে নিবেদিত । মৃত্যুর পরেও বাবা-মার জন্য দোয়া করে । 
অর্থাৎ সচ্চরিত্রবান সন্তান রেখে যাওয়া ৷সন্তানকে আদব ও চরিত্র শিখিয়ে দিয়ে ভাল বানিয়ে যাওয়া। 

পৃথিবীতে মানুষ মরনশীল । এ ক্ষনস্থায়ী পৃথিবীতে থেকে আখিরাতের জন্য কাজ করে যেতে হবে ।
আর সে কাজ যেন তার মৃত্যুর পরেও কাজে আসে ।এদের মদ্ধ্যে তিনটি কাজ হচ্ছে,
১. প্রবাহমান কল্যানময় কাজ করা।
২. চলমান উপকারী বিদ্যা রেখে যাওয়া।
৩. সন্তান কে সুসন্তান হিসেবে গড়ে তোলা ।          

Post a Comment

0 Comments