মোবাইল ফোনের প্রজন্ম ও ইতিহাস


মোবাইল ফোনের প্রজন্ম ও ইতিহাস

মোবাইল ফোনের প্রজন্ম ও ইতিহাস

আজকের দিনে আমরা যে মোবাইল ফোন দেখতে পাই মোবাইল ফোনের এই উন্নতি বিকাশ লাভের জন্য অনেকগুলো ধাপ অতিক্রম করতে হয়েছে৷ মোবাইল ফোনের এই বিকাশ ও উন্নতির ধাপগুলোকে মোবাইল ফোনের প্রজন্ম বলা হয়।
মোবাইল ফোন যত উন্নতি লাভ করেছে এর প্রতিটি ধাপেই নতুন কিছু যুক্ত হয়েছে।

মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে চার ভাগে ভাগ করা হয়।
#১ প্রথম প্রজন্ম -1G
#২ দ্বিতীয় প্রজন্ম -2G
#৩ তৃতীয় প্রজন্ম -3G
#৪ চতুর্থ প্রজন্ম- 4G

প্রথম প্রজন্ম ১৯৭৯-১৯৯০
 আশির দশকে প্রথম প্রজন্মের মোবাইল ছিল সেলুলার নেটওয়ার্ক নির্ভর। এগুলো অ্যানালগ সিস্টেমের উপর ভিত্তি করে কাজ করত।
১৯৭৯ সালে জাপানে প্রথম সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু হয় এবং 1G এর সূচনা হয়।

দ্বিতীয় প্রজন্ম ১৯৯১-২০০০
১৯৯০ সালে GSM স্টান্ডার্ড ব্যবহার করে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল এর যাত্রা শুরু হয়। এতে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন সিস্টেমের ব্যবহার করা হয়। এ প্রজন্মের মোবাইল দিয়ে ভয়েস ও ডেটা প্রেরন সম্ভব হয়। এ প্রজন্মের মোবাইল দিয়ে  টেক্সট ম্যাসেজিং কিরা যেত।

তৃতীয় প্রজন্ম ২০০১-২০০৮
২০০১ সালে জাপানের এনটিটি ডেকোমা WCDMA প্রযুক্তি ব্যবহার করে 3G নেটওয়ার্ক চালু করে। মানুষের ডেটা সার্ভিসের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার কারনে এই এই প্রজন্মের সূচনা ঘটে।
এই দশকে থ্রিজি প্রযুক্তির মোবাইল টেলিফোনি কমিউনিকেশন প্রটোকল (HSDPA) চালু হয় তাই এই প্রজন্মকে দুই ভাগে ভাগ করা হয় 3.5G,3G+

চতুর্থ প্রজন্ম ২০০৯-বর্তমান
ভাল মানের থ্রিজি কভারেজ অভাব থেকেই চালু হয় ৪জি প্রজন্মের মোবাইল এর গবেশনা। দ্রুত চলনশীল মোবাইল এ ১০০ এমপিএস এবং স্থির মোবাইল এ ১ জিবিপিএস। 4G এর প্রযুক্তি LTE স্টান্ডার্ড এবং থ্রিজি এর থেকে অনেক দ্রুত গতিতে ডেটা,ভয়েস ও মাল্টিমিডিয়া আদান- প্রদান করা যায়।

Post a Comment

0 Comments