ব্লগস্পট ব্লগার ড্যাসবোর্ড (A to Z Tutorial)

আমি ইতোমধ্যে শেয়ার করেছি যেভাবে ব্লগস্পট দিয়ে ফ্রীতে ব্লগ সাইট তৈরি করবেন। ব্লগস্পট ব্লগ তৈরি করার পর আপনার জানতে হবে কিভাবে ব্লগার ড্যাসবোর্ড ব্যবহার করবেন।

যখন আপনি ব্লগস্পট ড্যাসবোর্ডে লগইন করবেন, আপনি  বিভিন্ন অপশন দেখতে পাবেন। যারা নতুন ব্লগিং শুরু করেছেন তাদের একটু সমস্যা হতে পারে।

যদি আপনার এই একই সমস্যা হয় তাহলে আপনি চিন্তা করবেন না। আজকে আমি এই আর্টিকেলে ব্লগার ড্যাসবোর্ডের সম্পূর্ণ টিউটোরিয়াল নিয়ে লিখব।

Blogspot সাইট তৈরি করার পর আপনি যখন আপনার কাস্টম ডোমেইন নেইম অ্যাড করবেন আপনার ব্লগার সাইট কাস্টম ডোমেইন এ রিডাইরেক্ট হয়ে যাবে।  যেমন bdbloh24hour.blogspot.com থেকে seratune.com।আপনি জিমেইল একাউন্ট দিয়ে ব্লগার ব্লগে লগইন করুন, এখন আপনি "Blogger Dashboard" আছেন। আপনার সামনে ব্লগের সব লিস্ট চলে আসবে।

বামপাশে উপরে আপনি দেখতে পাবেন আপনার ব্লগ,এখানে আপনি যে কয়টি ব্লগ তৈরি করেছেন সব দেখতে পাবেন। আপনি চাইলে এখান থেকে "new blog" তৈরি করতে পারবেন। তার একটু নিচেই রয়েছে  "view blog" আপনার ব্লগ ভিজিট করে দেখতে পারবেন৷
এছাড়াও রয়েছে, post,stats,comments,earning,pages,Layout,theme,setting। এই মেনুগুলোর রয়েছে সাব-মেনু যে সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করব। 


"blogspot dashboard"(সম্পূর্ণ টিউটোরিয়াল)

ব্লগার ড্যাসবোর্ডে দুটি সেকশন রয়েছে " top bar এবং menu bar"

"Top Bar"
এই সম্পর্কে আমি আগেই বলেছি, টপ-বারে আপনার ব্লগের নাম এবং "view blog" আপনার ব্লগ ভিজিট করতে পারবেন। আপনি চাইলে এখান থেকে নতুন ব্লগ তৈরি করতে পারবেন।   

"Menu Bar"
মেনু বারে একাধিক অপশন রয়েছে যা আমি আগে বলেছি।

Post:
যদি আপনি পোস্ট এর উপর ক্লিক করেন তাহলে সব পোস্ট,পাবলিশ করা পোস্ট,ড্রাফট চলে আসবে,সাথে সাথে আপনার পোস্ট এর লেবেল, পেজভিউ,কমেন্ট,ব্লগে কতটি পোস্ট রয়েছে দেখতে পাবেন। "new post" এর মাধ্যমে নতুন পোস্ট লিখতে পারবেন।

Stats:
stats হল আপনার ব্লগে প্রতিদিনের,মাস,সর্বমোট পেজ ভিউ। ভিজিটর কোথা থেকে আসছে,ব্লগের  কতজন ফলোয়ারস রয়েছে,কোন পোস্ট এ কত পেজভউ হয়েছে।

Also read: যেভাবে ফ্রী ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ তৈরি করবেন। 

Comments:
ভিজিটরদের সব কমেন্ট এখানে চলে আসবে। আপনি চাইলে কমেন্টের উত্তর দিতে পারেন,কোন কমেন্ট ডিলিট করে দিতে পারেন। কখোনো "spam" কমেন্ট পাবলিশ করবেন না,এতে আপনার পেজ র‍্যাংক কমে যাবে।

Earning:
আপনার ব্লগ দিয়ে গুগল অ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন। এখান থেকে আপনি গুগল অ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে পারবেন। কিন্তু আবেদন করার আগে আপনার সাইট অ্যাডসেন্স এর জন্য প্রস্তুত করতে হবে। জেনে নিন, 

যেভাবে গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদন পাবেন।     

Pages:
এখান থেকে আপনার ব্লগের জন্য প্রয়োজনীয় পেজ যেমন,about,contact,privacy,disclaimer,তৈরি করতে পারবেন।
 বিস্তারিত জানতে এই পোস্টটি পড়তে পারেন,
যেভাবে ব্লগে নতুন পেজ তৈরি করে যুক্ত করবেন।


Layout:
 ব্লগ কাস্টমাইজড করার জন্য layout অনেক গুরুত্বপূর্ন। আপনি যেখানে খুশি, widget,advertisment,form,social media box,ইত্যাদি যোগ করতে পারবন।

Theme:
থিম কাস্টমাইজেশন, ইডিট,থিম আপলোড, ব্যাক-আপ ইত্যাদি। 
ব্লগে থিম আপলোড এবং ইন্সটল করার পদ্ধতি। 
Setting:
সেটিং অপশনে রয়েছে Basic, Posts এবং Comments, Mobile এবং Email, Language এবং formatting, Search preferences এবং other. এর মধ্যে যে কোন একটি সিলেক্ট করুন এবং ভাল ভাবে সেট-আপ করুন।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ